গুগল প্লাস কি? কিভাবে গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট ওপেন করবেন? কিভাবে গুগল প্লাস মার্কেটিং করবেন?

গুগল প্লাস কি?

আমাদের ভাল সময় পার করার জন্য বা কিছুটা সময় ভাল পার জন্য বিনোদন সব থেকে বড় মাধ্যম। বিনোদন এর প্রায় সব গুলা মাধ্যমই হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। আমাদের সবথেকে  বর্তমান জগতে ওয়েবসাইট এর মধ্যে সব থেকে সোশ্যাল মিডিয়া বেশি জনপ্রিয়। কেননা এখনকার মানুষ বেশি সোশ্যাল মিডিয়া তে সময় পার করে। তার মধ্যে অন্যতম হল গুগল প্লাস। গুগল প্লাস সাধারনত গুগল এর-ই একটা প্রোডাক্ট। বর্তমানে সব থেকে বেশি জনপ্রিয় ইউটিউব ও গুগল এর-ই একটা অংশ।

গুগল প্লাস বর্তমান সময়ে সব থেকে জনপ্রিয় মাধ্যম গুলোর মধ্যে অন্যতম। সারা পৃথিবীতে কোটি কোটি মানুষ গুগল প্লাস এ সময় পার করে এবং বিনোদন গুলার মধ্যে গুগল প্লাস অন্যতম। কেননা গুগল প্লাস এ অসংখ্য মানুষ তাদের মূল্যবান সময় কাটায়। গুগল প্লাস মার্কেটিং করার জন্য অন্যতম ভাল একটা মাধ্যম। আজকাল অনেকেই গুগল প্লাস এ মার্কেটিং করে থাকেন।

গুগল প্লাস মার্কেটিং কি?

মার্কেটিং বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বর্তমান সময়ে সব থেকে বেশি জনপ্রিয় এবং বেশি কার্যকরী। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ভিকে, পিন্তারইস্ট, স্তাম্বল আপন, ইমগুর, রেদিট এগুলো বেশ জনপ্রিয়। তার মধ্যে গুগল প্লাস মার্কেটিং অন্যতম। বর্তমান সময়ে অনেকে মার্কেটিং এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর মধ্যে গুগল প্লাস কেই বেছে নিয়েছেন। কেননা গুগল প্লাস এ অনেক অনেক বেশি ট্রাফিক আনা সম্ভব ওয়েবসাইট গুলাতে। গুগল প্লাস মার্কেটিং খুবি কার্যকরী একটা মার্কেটিং। আপনি যখন গুগল প্লাস এ মার্কেটিং করছেন বা যখন পোস্ট করছেন তখন প্রতিটি পোস্ট গুগল এ শেয়ার হয়ে যায় এতে করে আপনার পোস্ট ইনডেক্স হয়ে যায় গুগল। তার পর কোন ব্যাক্তি যখন গুগল এ সার্চ দেয় তখন খুব সহজে আপনার করা পোস্টটায় প্রথমে শো করে।

কিভাবে গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট ওপেন করবেন?

গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট খোলা খুবি সহজ একটা বিষয়। এই জন্য প্রথমে আপনাকে একটা গুগল অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। গুগল অ্যাকাউন্ট হয়ে গেলে গুগল প্লাস এ মাই অ্যাকাউন্ট এ ক্লিক করে আপনার সব ইনফর্মেশন যোগ করতে হবে। আপনি কি কি বিষয়ে আগ্রহী আছেন টা ফলো করতে হবে এবং আপনি কি বিষয়ে মার্কেটিং করছেন করতে চাচ্ছেন সেইটা ফলো করতে হবে। আপনার যদি লোগো থাকে তাহলে অবশ্যই পেজ লোগো সম্পর্কিত ইমেজ লাগাতে হবে। এতে করে কেও যদি আপনার গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট এ যায় তাহলে আপনার হোম পেজ দেখে আপনাকে ফলো করবে।

আপনার গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট এর অবশ্যই বর্ণনা দিতে হবে। আপনি কোন বিষয়ে মার্কেটিং করবেন এবং আপনার নিস বা প্রোডাক্ট টা কি সেই বিষয়ে বর্ণনা লেখতে হবে খুব সুন্দর করে সবলিল ভাষায়। এই ভাবে আপনি আপনার গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট টি তৈরি করে ফেলতে পারেন।

গুগল প্লাস পেজ কিভাবে তৈরি করবেন?

গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট তৈরি করে আপনি চাইলে একটা পেজ তৈরি করে ফেলতে পারেন। আপনি যখন গুগল প্লাস এ অ্যাকাউন্ট তৈরি করছেন তখন পেজ অপশন এ গিয়ে একটা পেজ খুলে ফেলতে পারেন। এতে করে আপনার মার্কেটিং এর জন্য খুব ভাল হবে। আপনি মার্কেটিং এর জন্য চাইলে আপনার প্রোডাক্ট এর পোস্ট এ ভিডিও বা কনটেন্ট আকারে পোস্ট করতে পারেন। এতে করে আপনার প্রোডাক্ট খুব বেশি রিচ করবে।

গুগল প্লাস এ কিভাবে পোস্ট করবেন?

গুগল প্লাস এ পোস্ট করা খুবি সহজ। আমরা যেভাবে ফেসবুক এ পোস্ট করে থাকি ঠিক একাই ভাবে আমরা গুগল প্লাস এ পোস্ট করতে পারি। গুগল প্লাস এ পোস্ট করার সময় আপনি আপনার পোস্ট এর সম্পূর্ণ কনটেন্ট দিয়ে দিন এবং সব থেকে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় হচ্ছে আপনি অবশ্যই আপনার পোস্ট এ লিঙ্ক দিয়ে দিন। এতে করে আপনার পোস্ট এ খুব ক্লিক পরবে এবং আপনার ওয়েবসাইট এ খুব ভিউ বাড়বে। গুগল প্লাস এ পোস্ট করার সময় যদি ইমেজ অ্যাড করতে পারেন তাহলে খুব ভাল। কেননা ইমেজ এ এখন অনেক বেশি ক্লিক পরে এবং মার্কেটিং খুব ভাল হয়।

গুগল প্লাস এ লিঙ্ক অ্যাড কিভাবে করবেন?

গুগল প্লাস এ লিঙ্ক অ্যাড করা সব থেকে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়। আপনার সব থেকে মুখ্য বিষয় হচ্ছে লিঙ্ক অ্যাড করা। কেননা গুগল প্লাস এ লিঙ্ক না দিলে কেও আপনার সাইট এ ভিজিট করবে না এবং পোস্ট গুলা তে কোন রিচ হবে না। তাই আপনাকে অবশ্যই লিঙ্ক অ্যাড করতে হবে। আপনি গুগল প্লাস এ শেয়ার করে বিভিন্ন পেজ এ পোস্ট করে দিতে পারেন এতে করে দেখা যাবে আপনার পোস্ট এ গুগল খুব সহজে ইনডেক্স করছে। গুগল প্লাস এ পোস্ট করা এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া তে শেয়ার করে দাওয়ার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে ভিউ পেয়ে যাবেন। তাবে হ্যাঁ, আমরা ফেসবুক থেকে যে ভিউ গুলা পাই এই গুলা তে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, বাউঞ্চ রেট অনেক বেশি থাকে। কিন্ত আপনি যখন কোন প্রোডাক্ট গুগল প্লাস এ শেয়ার করছেন তখন কোন ভিউআর আপনাকে ছেড়ে যাবে না। অর্থাৎ এরা আপনার রিয়াল ভিউআর। তাই আপনাকে অবশ্যই লিঙ্ক অ্যাড করে দিতে হবে এবং খুব সুন্দর সাবলীল ভাষায় প্রোডাক্ট এর বর্ণনা দিতে হবে।

কিভাবে আপনার প্রয়োজনীয় ভিউআর বাড়াবেনঃ

সোশ্যাল মিডিয়া সব থেকে ইতিবাচক দিক হচ্ছে আপনি খুব সহজে আপনার ট্রাফিক পেয়ে যাবেন এবং খুব বেশি রিচ করবে আপনার সাইট এ। তাই মার্কেটিং এর জন্য গুগল প্লাস খুবই ইতিবাচক। যখনি আপনি কোন পোস্ট করবেন বা কোন কিছু শেয়ার করবেন তখন অবশ্যই মনে রাখতে হবে এটি যেন ইউনিক হয় এবং খুব সাবলীল হয়। তা না হলে আপনি যতই পোস্ট করেন না কেন এতা খুব একটা কাজে আসবে না। কারন যখন কেও আপনার পোস্ট পরার জন্য গুগল  এ সার্চ দিল এবং আপনার লিঙ্ক টা পেয়ে আপনার সাইট এ গেল কিন্ত আপনি খুব ভাল কিছু শেয়ার বা পোস্ট করেন নাই এতে করে আপনার সাইট এর জনপ্রিয়তা অনেকটা কমে যাবে। ওই ট্রাফিক টা আর কখন ও আপনার সাইট এ ভিজিট করবে না। তাই আপনাকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে আপনাকে ইউনিক এবং সাবলিল পোস্ট করা উচিত। এতে আপনি অনেক অনেক বেশি ট্রাফিক পাবেন। আপনার মার্কেটিং খুব ভাল হবে। আপনার ওয়েবসাইট খুব দ্রুত গুগল এ ইনডেক্স হয়ে যাবে।

গুগল প্লাস শেয়ার করার সময় যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবেঃ

সাধারণত গুগল প্লাস এ শেয়ার করার সময় তেমন কোন প্রতিবন্ধকতা থাকে না। তারপর ও কিছু প্রতিবন্ধকতা দেখা যায় পোস্ট শেয়ার করার সময়। আপনি অবশ্যই গুগল প্লাস এ পোস্ট করার সময় বিশেষ কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। তার মধ্যে কিছু বিষয় হলঃ

১. মার্কেটিং করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই বৈধ ভাবেই করতে হবে।

২. মার্কেটিং এর সব রুলস এবং সব নির্দেশনা মেনে মার্কেটিং করতে হবে বা অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

৩. কোন অবাঞ্ছিত কথা বা পোস্ট শেয়ার করা যাবেনা।

৪. মার্কেটিং এর জন্য যে সব পোস্ট করবেন বা ইমেজ ব্যবহার করবেন তা অবশ্যই ইউনিক হতে হবে।

৫. মার্কেটিং এর জন্য ব্যবহার করা ভিডিও অবশ্যই আপনার হতে হবে। অন্য কারো ভিডিও দিতে আপনি মার্কেটিং করতে পারবেন না।

৬. গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট অবশ্যই ভেরিফাইড হতে হবে। তা না হলে অ্যাকাউন্ট ব্যান হওয়ার সম্বাভনা থাকে।

Sending
User Review
0 (0 votes)